দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ঢাকাই চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাককে হারানোর নয় বছর পূর্ণ হলো আজ। ২০১৭ সালের ২১ আগস্ট হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৭৫ বছর বয়সে মারা যান বাংলা চলচ্চিত্রের এই মহাতারকা।
সাদা-কালো যুগ থেকে রঙিন পর্দা দীর্ঘ অভিনয়জীবনে অসংখ্য চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নেন রাজ্জাক। সাধারণ একজন অভিনেতা থেকে তিনি হয়ে ওঠেন ‘নায়করাজ’।
১৯৪২ সালের ২৩ জানুয়ারি কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন রাজ্জাক। দেশভাগের পর ঢাকায় আসেন তিনি। ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের প্রতি আগ্রহ ছিল তার। কলকাতার ‘রূপম’ নাট্যদলে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তার অভিনয়জীবনের শুরু। পরে চলচ্চিত্রে কাজের স্বপ্ন নিয়ে ঢাকায় আসেন।
পাকিস্তান আমলে নির্মাতা সালাহউদ্দিনের ‘উজালা’ চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন রাজ্জাক। পরে অভিনয়ের সুযোগ পান। ১৯৬৪ সালে অভিনয়জীবনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় তার। এরপর চার দশকের বেশি সময় ধরে ঢালিউডে অভিনয় করে নিজেকে কিংবদন্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।
রাজ্জাকের অভিনীত চলচ্চিত্রের তালিকা দীর্ঘ। তার অভিনয়, সংলাপ বলার ধরন, অভিব্যক্তি ও পর্দায় উপস্থিতি দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। চরিত্রকে নিজের অভিনয়গুণে জীবন্ত করে তোলার অসাধারণ ক্ষমতার কারণে তিনি পেয়েছেন ব্যাপক জনপ্রিয়তা।
অভিনয় জীবনে পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন রাজ্জাক। পেয়েছেন আজীবন সম্মাননাও। তবে তার সবচেয়ে বড় অর্জন ছিল দর্শকের ভালোবাসা। সেই ভালোবাসা থেকেই তিনি হয়ে ওঠেন ‘নায়করাজ’।
রাজ্জাকের মৃত্যুর নয় বছর পরও তার অভিনীত চলচ্চিত্র ও চরিত্রগুলো দর্শকের কাছে সমানভাবে জনপ্রিয়। বাংলা চলচ্চিত্রে তার অবদান, অভিনয়ের স্বতন্ত্র ধারা এবং শিল্পের প্রতি নিষ্ঠা নতুন প্রজন্মের অভিনয়শিল্পীদেরও অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে।
নায়করাজ রাজ্জাক নেই, কিন্তু তার অভিনয় ও সৃষ্টিশীলতার মধ্য দিয়ে তিনি এখনো বেঁচে আছেন দর্শকের হৃদয়ে।
যে আই